টুকরো কথা
কিছু কিছু বিষয়ে কাজ করে আনন্দ পাওয়া যায়। তবে আগ্রহ আর আনন্দ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে যখন দেখা মেলে পাতা জুড়ে আছে বঞ্চিত মানুষদের ভাসহায়ের
কাহিনি তখন একরাশ দুঃখ ভর করে। ভারাক্রান্ত মনে পড়তে গিয়ে যখন দেখা মেলে বীরদের তখন সব মন খারাপ উবে যায়। প্রশান্তিতে মন ভরে যায়। যারা
শুধুমাত্র নিজেদের জন্য লড়াই করেছেন তা নয়, অন্যদেরকেও মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রতি পদে অবহেলিত হয়ে অন্যদের যারা শক্তি জোগায়, সাহসে বুক বেঁধে দেয় লড়াই করার জন্য, তারা নমস্য। সামান্য শক্তি দিয়ে বিরুদ্ধ শক্তির ইমারতকে যারা টলিয়ে দিতে পারে, তাদের জন্য তো সেলুট জানাতেই হবে। সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এইসব কাহিনি আমাদের শুধু ভালো লাগায় না, বরং শক্তি জোগায়। মনের কোনের কালিমা মুক্ত করে দেয়। মুক্ত বিহঙ্গে হাত তুলে আকাশকে ছোয়ার স্বপ্ন দেখায়। স্বপ্ন সত্যি হোক বা না হোক প্রচেষ্টা জারি থাকে। লড়াই করার মানসিকতা গঠন করে দেয়। শিক্ষা দেয় কোন সময় দুর্বল হওয়া যাবে না। ফলে সমাজের বৃহত্তর মানসিকতা একটি সাংগঠনিক, সদর্থক ভূমিকা পালন করে চলে। সুন্দর সমাজ গঠনের কারিগর হিসাবে। কাজটি করতে গিয়ে মন খারাপের সাথে একটি ভালোলাগাও তৈরি হয়ে আছে।
বইটি সম্পন্ন করার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের সকলকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই। বিষয়টির গুণগত মান নিয়ে পাঠক মতামত দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।
ড.টুম্পা রায়
সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
খড়গপুর কলেজ